৯» কব্দেজ নমো” কম্পকা তা” ০০ ৬৪৮

প্রকাশক 4 কঙ্যাণতব্রত দত্ত, তুলি-কলম £ ১, কলেজ রো» কলকাতা-৯, মুদ্রক : স্বপ্ন! প্রেস, ৩৫1২/১এ, বিডন স্ুট কলকাতা-৯ থেকে প্রভাসচন্ত অধিকারী কতৃক মুদ্রিত।

প্রচ্ছদ £ তরুণ দত

দামঃ কুড়ি টাক!

[)/৯খ117 14১0744৫80৮

2

পার্গেটারিও

1

191515060০5 5880190501190,0910, (10051) 1017102 0196251৮০15 01515.

সূচীপত্র

ভূমিকা

মান্গুয মৃত্যুর পর কোথায় যায়? নরকপ্রদেশের চব্বিশটি বৃত্ত, সমুদ্রতীরবর্তী মাউণ্ট পার্গেটারিও বা পরিশুদ্ধিপর্বতের ছটি ধাপ সাতটি চত্বর সবশেষে তৃহ্বর্গলৌকবর্তা নয়টি গ্রহস্তর একে একে অতিক্রম করে সত্যি সত্যিই কি ঈশ্বরের সামীপ্য সালোক্যরূপী মোক্ষ লাভ করতে পারবে কোন মানবাত্ম। ? কোথায় গেলে কেমন করে দেখতে পাওয়! যাবে সেই মৌল গতিচক্রকল্প এক আশ্চর্য শ্বেতগোলাপ যা জাগতিক মহাজাগতিক সকল বস্তকে গতিশীলতা দান করলেও এক অনাদ্যন্ত স্থিতিশীলতায় ত্যন্ধ-অনড় ভয়ে থাকে নিজে, মৃত্যু হতাশার মহাশৃন্ঠতায় চিরভাসমান সাক্ষাৎ আশামৃতত্বরূপ মধুনিস্তন্দী ষে গোলাশের পেহগাত্রে পুণ্য-আ্মা। সাধুপুরুষের! পাপড়িরূপে শোভা পায় আর যার দিব্য স্থবাসে মাতোয়ারা হয়ে আলোকমৃতিধারী দেবদূতেরা মধুলুব্ধ ভূঙ্গারের মত উড়ে বেড়ায়?

এই সব প্রশ্নগুলির সছত্তর পেতে হলে তিন থণ্ডে বিভক্ত দাস্তের ডিভাইন কমেডি পড়তে হবে আর এই স্থবিশাল কাব্যগ্রন্থের রস উপলব্ধি করতে হলে ষে যুগের আলো! হাওয়ায় দান্তে মানুষ, ত্রয়োদশ শতাব্দীর ইতালির সেই যুগকে জানতে হবে

রাজনৈতিক এ্রক্যবজিত ইতালির “স যুগ ছিপ অন্ধকার যুগ ' খুস্টধর্ম আর প্রাটীন রোমক আইনের প্রতি এক প্রথাগত অন্ধ আনুগত্যের ভিত্তিতে গঠিত কতকগুন্সি নগরকেন্ত্রিক সাধারণতন্ত্রী রাষ্ট্রে বিভক্ত ছিল তখনকার দিনের রাজনৈতিক ইতালি কোন এক প্রবল প্রতাপাস্থিত সম্রাট বা কেন্ত্রগত শক্তির অধীনে এঁক্যবদ্ধ হতে ন! পারার ফলে এই ঘব নগরকেন্দ্রিক ব্রাষ্ট্রগুলি নানাবিধ তুচ্ছ কারণে গৃহযুদ্ধে লিপ্ত হয়ে থাকত সব সমন সিসিলির রাজা ছিতীয় . ফেডারিক তদানীন্তন পোপের বিরোধিত। সত্বেও সমগ্র ইতালির সিসিলিকে এক সাম্রাজ্যের অধীনে আনার চেষ্টা করেন। কিন্ত অঘোষিত এক ঠাণ্ড। লড়াইএ পোপের জয় হওয়ায় ফ্রেডাব্রিকের চেষ্টা সফল হতে পারেনি আর এই সব ঘন্ঘ অনৈকে?র সুযোগ নিয়ে গুয়েলফ -গিবেলাইনদের গৃহযুদ্ধ চরমে উঠতে থাকে

(2) এমন সময় ১২৬৫ খুষ্টাবে ফ্লোরেছ্দ নগরীতে মে মাসের মাঝামাঝি হতে জুন মাসের মাঝামাঝির মধ্যে কোন একদিন জন্মগ্রহণ করেন এ্যালিঘেরি দাত্ে। তাদের পরিবার সামন্ত শ্রেণীভুক্ত না হলেও বেশ কিছু ভূসম্পত্বির অধিকারী থাকায় আথিক দ্রিক থেকে ছিল সঙ্গতিসম্পন্ন। দান্তের বয়স যখন মাত্র পাচ তখন তার মা মার! যান আর তার বয়স যখন মাত্র বারে! তখন তার বাবা মারা যান দাত্তে খন মাত্র নয় বছরের বালক তখন একদিন এমন ,একটি ঘটনা ঘটে যার অবিম্মরণীয় অভিজ্ঞতা এক সুদ্বরপ্রসারী প্রভাব বিস্তার করে তার জীবনে ফ্লোরেন্দের ধনী সন্ত্রস্ত নাগরিক ফলকে। পোতিনাব্ীব্র বাড়িতে একদিন বালক দাস্তেকে সঙ্গে করে বেড়াতে নিয়ে যান তার বাবা। পোতিনা্রীর দশ বছরের কন্তা বিয়াত্রিসকে দেখে সহসা বিশ্ময়ে হতবাক হয়ে যান দাত্তে তথন থেকে কুড়ি বছর পর তার অভিজ্ঞতার কথ! বর্ণনা করতে গিয়ে এক জায়গায় লেখেন প্রান্তে, আমার তখন বিয়াত্রিসকে দেখে মনে হয়েছিল, £:০০০ ৫65০০ 01101 106 001 ড6101005 091037)1191001: 12161 অর্থাৎ দেখ দেখ, আমার থেকে শক্তিশালী কোন দেবতা স্বর্গ হতে শাসন করতে এসেছে আমাকে | অনেকের মতে স্মতিগন্থী এই ঘটনার হুঙ্ন্থন্দর এক প্রভাব পরবর্তীকালে দান্তের কবি- প্রতিভার মর্মমূলে যে প্রেরণার রসসঞ্চার করে সেই রসসঞ্চারের ফলে তার প্রতিভার বনস্পতিটি শাখাপ্রশাখায় পল্পবিত এক কালজয়ী বিশালতায় উত্তুঙ্গ হয়ে উঠতে পেরেছিল | বাল্য হতে কৈশোরে, কৈশোর হতে যৌবনে উপনীত হয়েও বিয়াব্রিসকে ভুলতে পারেননি দাস্তে। মর্তামানবী বিয়াত্রিসের রূপ ধারণ করে ত্বর্গের এক দেবী পদচারণা করে বেড়াচ্ছে এই ধরনের সম্্রমাত্মক এক ধারণ] ইন্জ্রিয়াতীত আসক্তি ধীরে ধীরে অনন্যসাধারণ এক আধ্যাত্মিক প্রেমবোধে রূপান্তরিত হয় দাস্তের মনে তার প্রতি দান্তের এই আসক্তির কথা বিয়াত্রিসও জানতে পারে কালক্রমে এবং দান্ের বয়স যখন আঠারে৷ তথন একদিন প্রকাশ্থ রাজপথে দান্তেকে এক স্বীকৃতিহচক অভিবাদন করে। ক্ষণিকের এই সামান্ত স্বীকৃতিতেই খুশি হন দাস্তে। যে নারী তাঁকে কোনদিন পরিপূর্ণভাবে ধরা দেবে না, যে শুধু আশ্চর্য উজ্জল এক দেবদুতের মত তার মনের শূন্য অন্ধকার দিগন্তটাতে ক্ষণিকের ভন্ত আলোর ডান! বঝাপটিয়ে মুহুর্তে অদৃশ্য হয়ে যায়, যে নারী নিশ্রাণ এক দেবী প্রতিমার মত এক নির্মম উদাসিন্তও অবহেলায় তার হৃদয়ের সব নিবেদিত পূজা

(111)

উপচার উপেক্ষা! করে যায়, সেই নারীর প্রাতিই সর্বনাশা এক ভালবাসার নেশ! পেয়ে বসল দান্তেকে পরে অবশ্ত সে ভাপবাসার নেশ। বিয়াত্বিসের মধ্যেও সঞ্চারিত হয় কিন্তু ১২৮৭ সালে সাইমন গ্ঘ বাদি নামে এক ব্যবসায়ীর সঙ্গে তার বিবাহ হয়ে যাওয়ায় সে ভালবাসার বাস্তব প্রকাশ দেখা যায়নি বিশেষ কিন্তু সে প্রকাশ দেখা না গেলেও ছুটি অথণ্ড অন্তরের অব্যক্ত গভীরে ছুটি প্রেমের স্বচ্ছণীতল এক ফন্তধার! সকলের অলক্ষ্যে অগোচরে এক নীরব গোপনে বয়ে যেতে থাকে অগপ্রতিহত গতিতে আর মাঝে মাঝে সে ধারার চকিত বিকাশে এক মুগ্ধনিবিড় বিস্ময়ে বিস্ফারিত চোখে হতবাক হয়ে তাকিয়ে থাকতেন দুজনে দুজনের পানে। দেহাতীত ইন্দ্রিয়াতীত কামগন্ধহীন সেই অপূর্ব প্রেমের মাধুর্ষে নিষিক্ত হয়ে উঠত দুজনের মন।

দান্তের নামে একবার কতকগুলি নিন্দা ব1 কুৎ্সার কথ শুনে রেগে যায় বিয়াত্রিস। দান্তে তাতে বাথা পান। এমন সময় একবার এক ভদ্রপোকের বাড়িতে ভোজসভায় দেখ! হয় দুক্তনের | কিন্ত বিয়াত্রিস রাগে কোন কথা বলেনি। দান্তে তাঁতে এতদূর বিচলিত হয়ে পড়েন যে তাকে দেখে অন্ুষ্থ যনে হয় এর পর অল্পদিনের মধ্য বিয়াত্রিসের বাব' ষ'রা যান এবং অকম্ম:ৎ ১২৯০ সালে মাত্র একুশ বছর বয়সে প্রাণবিয়োগ হয় বিয়াত্রসের। অন্ধকার নেমে আসে যেন দান্তের চোখে যে বিয়া্রেসের “হসোন্দর্যন্থধার আম্মার পাননি কোনধিন, যার সঙ্গে কখনো দেহ সংদর্গ হয়নি তার, সেই বিয়াত্রসের মরদেহত্যযগে মনে বেশ কিছুট! আঘাত পেলেও বিয়া ত্রিসের অশরীরী আত্মার অমূর্ত রূপটিকে আরে! বড় করে আরে! নিবিড় করে পেন দান্তে তার মনের নিভৃতে আর সেই রূপটিকেই তার “ভিটা মুভ” কাব্যে এবং পরে বৃহত্তর পটভূমিকায় ডিভাইন কমেডিতে বিটিহভ'বে ফুটিয়ে তুললেন দাস্তে।

ফ্রোরেন্দ নগরীতে তখন চল'ছশ গুয়েলফ দলের প্রাধান্য কিন্তু এই গুয়েলফ দলের মধ্যেই আবার শ্বেত কৃৰ্ঝ নাধে ছুটি ভাগ ছিল এবং দাস্তে ছিলেন শ্বেত গুয়েলফ. দলভুক্ত দান্তের বয়স যখন পচিশ তখন শ্বেত গুয়েলক, দলের পক্ষ থেকে এক অশ্বারোহী সেনাদলের প্রথম সারিতে ক্যাম্পালদিনোতে গিবেলাইনদের বিরুদ্ধে এক সমরাভিযানে যোগদান করেন। প্রথমে কিছুটা ভয় পেলেও যুদ্ধের জয় পরাজয়জনিত এক উত্তেজনাময় আনন্দ অনুভব করেন।

১২৯৮ থুস্টাব্বে বাড়ির লোকজনদের তৎপরতায় জেন্মার সঙ্গে বিয়ে হয় 'দ্ান্তের। কালক্রমে তীর চারটি সন্তান হয়। এর ছু বছর পর কসে? দোনাতির

(৪৮)

নেতৃত্বে কষ্ণ গুয়েলফ, দলভুক্ত একদল লোক দাস্তে তার দলভুক্ত চার পাঁচ জন নেতার বিরুদ্ধে এক ষড়যন্ত্র করে পোপের কাছে কয়েকটি গুরুতর অভিযোগ উত্থাপন করে এই সব অভিযোগগুলি হলে! দুর্নীতি প্রতারণা, নাগরিক শান্তিতে ব্যাঘাত হ্হি এবং পোপের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র আর এই সব অভিযোগের সত্যাসত্য বিচার না করেই তিন দিনের মধ্যে পাঁচ হাজার ক্লোরিন জরিমান! দান, অনাদায়ে সমস্ত সম্পর্তি বাজেয়াপ্থি ছু বছরের নির্বাসন প্রভৃতি দণ্ডের আদেশ দান করেন পোপ ১৩০২ থুষ্টাব্বের ২৭শে জানুয়ারি |

এরপর দাঁন্তে অগ্যান্ত শ্বেত গুয়েলফ, দলভুক্ত লোকেরা! গিবেলাইন দলের সঙ্গে এক আপোষ মীমাংসার মাধ্যমে ফ্লোরেছ্দে নিজেদের প্রতুত্ব পুনঃপ্রতিষ্টিত করার চেষ্টা কবেন। কিন্তু তীব্রা বার্থহন | সঙ্গে সঙ্গে সমস্ত রাজনৈতিক কাজকর্ম হতে নিজেকে বিচ্ছিন্ন করে দাত্তে চলে যান শ্বেচ্ছ! নির্বাসনে এই শ্বেচ্ছ। নির্বাসনকালে প্রায় কুড়ি বছর ধরে সার! ইতালির বিভিন্ন জ্গায়গায় বিভিন্ন কাজ নিয়ে ঘুরে বেড়ান এই শময়ের মধ্যে তিনি এখানে সেখানে কিছুকাল শিক্ষকতা করেন এবং প্যার্রিসে পড়াশুনো। করতে যান এই দীর্ঘ নির্বাসন- কালে দার্শনিক তত্বচিস্তার উপরে বিভিন্ধ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সভাসমিতিতে যে সব ভাষণ দেন দান্তে সেইগুলি সংকলন করে “কনভিভিও” নামে এক গ্রন্থরচনার পরিকক্পনা করেন। কিন্ত অসমাপ্ত রয়ে যায় এই গ্রনস্থরচনার কাজ।

কোন কোন জীবনীকারের মতে দান্তে এই সময় একজন নারীর প্রেমে পড়েন। সে নারীর কোন বিস্তৃত পরিচয় জানা না গেলেও এই প্রেমসম্পর্কের দ্বারা বিয়াত্রিসের প্রতি দান্তের আজীবন বিশ্বস্ততা ক্ষুগ্ন হয় কিছুটা এবং সে বিষয়ে ঘর্গে বিয়াত্রিসের আত্মার আলোকমূতির সঙ্গে দেখা হলে অভিযোগ করে বিয়ান্রিস আর দাস্তেও সে অভিযোগ ত্বীকার করেন। তার মৃত্যুর পর দাস্তে বিবাহ করলেও তাতে কিছু মনে করেনি বিয়াত্রিস। তার যত কিছু অভিযোগ দ্বাস্তের অবৈধ প্রেমসম্পর্কে

দান্তে অবশ্য এই প্রেমসম্পর্কের কথা৷ এক রহন্যময় কথা বলে এড়িয়ে যান। তিনি বলেন, এক সময় একটি বাঁড়ির ক্রানাল! দিয়ে এক মমতাময়ী নারী আমার পানে তাকিয়ে নীরব দৃষ্টিতে সাত্বনা দিত আমার ছুঃথে। তার প্রতি আসক্তিবশত: বিয়াজ্রিসের কথা বিস্বত হয়ে যান তিনি কিন্তু আবার পরে বলেন সে নারী হলো “1945 01১11950721, 61১০ 097819661 ০৫ 6১৪ 50967000605 81025628৩,+ অর্থাৎ বিশ্বসস্তাটছুহিতা

(ড)

দর্শনশান্ত্রক্ূপিণী মানসী কন্তা যার প্রতি এক আধ্যাত্মিক আসক্তির মাঝে শোকছুঃখসস্তগ্থ জীবনে এক শীতল সাস্তবনার উৎস খুঁজে পেতেন।

এই নির্বাসনকালে “ডিভাইন কমেডি” রচনা শুরু করার আগে গ্ঘ যনাঁকিয়া” নামে লাটিন ভাষায় রাজনীতিবিষয়ক এক গ্রন্থ রচনা করেন দানে এই গ্রন্থের মধো দাস্তে চেয়েছিলেন রোম সাম্রাজ্যের মধ্যে সমগ্র সভ্য জগৎকে অন্ততৃক্ত করতে ইতিহাস পাঠ করে দান্তেব এই ধারণা হয়েছিল যে পবিত্র রোম-সাম্রাজ্য ঈশ্বরের দ্বার! প্রত্যক্ষভাবে সৃষ্ট এবং বিধিনির্দিষ্ট এক বিশেষ উদ্দেশ্য সাধনের জন্য ঈশ্বরের দ্বারা পরিচালিত তাই রাজনীতির মধ্যে ধর্ষকে প্রতিঠিত করে মানুষের রাজনৈতিক চেতন! প্রত্যয়কে ধর্মগত চেতনা প্রত্যয়ের সঙ্গে একীভূত করে দাস্তে চেযেছিলেন এক আদর্শ মানবসভ্যত। গডে তুলতে দাস্তে সম্পর্কে এক প্রবন্ধে ভীন চার্চ বলেন, 1১10) 4 526€10060 01:0510617619115 01:0517)60 €1086 0106 ০0110 0)0102101)5 51)0810 1০ 01000, 110790119] 2770 15015 71080 85 60 ০021 70০01161581 10281150 16 562705 29101779010 01286 16 81০00]7 ৮০ 1001790101091 2100. 60091109112) 2130. 510010 06910 19 821006101 11010 01)6 আ1]] 08 016 020019,10159 20177 01181765, 0৫% €1১০ 50210508706 0: 109176225 12015 15 0126 10 চ/18101) €1)6 ভে 61061661 ০210 128061 1151776 27) 6112 00118052 0 675 1152191 ০0210170016 0810 261 212 11211652106 55100790105

দ্বান্তে যে বিশ্বব্যাপী রাজতন্ব প্রতিষ্ঠাত্র স্বপ্ন দেখেছ্িতলন তা ছিল রাজনীতিগতভাবে সাঁবিক, আন্তর্জাতিক এবং জনগণের সাধারণ ইচ্ছার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নীতিগতভাবে তা ছিল সাম্যভিত্তিক এনং আইনান্ধগ এবং ধর্মগতভাবে পবিত্র ন্যায়বিচারের নিয়নত্রানাধীন। দাত্তের দ্বারা পরিকল্পিত রাষ্ট্রর্শনের এই আদর্শ প্রতিষ্ঠিত না হলেও বিংশ শতকে উদারনীতিবাদের পরীক্ষা-নিরীক্ষায় ব্যর্থ হতাশ আত্তর্জীতিকতাবার্দীর অনেক সান্ধন! প্রেরণ খুজে পেয়েছিলেন সে আদর্শের মধ্যে।

দ্াস্তে তার অমর মহাকাব) “ডিভাইনা কমেডিয়া' ঠিক কখন লিখতে শুরু করেন তা আমর! জানি না। তবে মৃত্ান্তীর্ণ 'শনবাত্মার হ্বর্গীভিযুখী তীর্থ যাত্রার কল্পিত ঘটনাক্কে কেন্দ্র করে এক বিশাল মহাকাব্য রচনার প্রথন বাসন জাগে দাস্তের মনে বিয়াত্রিসের মৃত্যুর অব্যবহিত পরে। খৃষ্টায়

্‌ (1)

খর্মচেতনায় বিশ্বাসী দাস্তের শ্বভাবতই একথা মনে হয় যে বিয়াত্রিসের দেছপিপ্তর ত্যাগ করে তার অমর আত্মা নিশ্চয় ত্বর্গলাভ করেছে এবং হ্র্গে গিয়েও হয়ত তাঁর . কথ! ভুলতে পারেনি আর সেই হ্বর্গলোকে যেতে পারলে হয়ত তার দেখা পাওয়। যাবে। কিন্তু শুরুতে যাই ভাবুন দান্তে সেই মহাকাব্যের শেষ খণ্ডে সে ভাবনা সর ওলটপালট হয়ে যায়। যে বিয়াত্রিসকে একবার দ্বেখার জন্ত এত আকুল হয়ে ওঠেন তিনি, স্বর্গে গিয়ে 'সেই বিষ়াত্রিসের ঘনিষ্ঠ সাল্লিধ্যে এসেও তার হাসির উজ্জলতা৷ যে তার শ্থিরনিবন্ধ দৃষ্টির নিবিড়ত! দিয়ে সহ করতে পারবেন না৷ তিনি তা প্রথমে “ভাবতেই পারেননি ভাবতে পারেননি, পরম আনন্দ প্রেমের অম্বত- স্বরূপ ঈশ্বরের দ্বারা নিয়ত বিকীণিত পূর্ণজ্যোতির মহাপ্াবনে ন্বর্গাতিবতী 'আকাশমণ্ডলের অনন্ত শৃন্তত। পূর্ণতার যে আলো হয়ে ফুটে ওঠে, সে আলোর দুঃসহ তীব্রতায় ছিন্ন ভিন্ন হয়ে যাবে তার সকাম অন্ুরাগের বেগবান মেঘমালা, নি:শেষে উবে যাবে তার অশান্ত বিরহব্যথার প্রধূমিত বাম্পরাশি | ভাবতে পারেননি দান্তে, তার কান্তাপ্রেমের লীলাপস্মটি কামনার নদী বেয়ে ভাসতে ভাসতে অবশেষে ঈশ্বরপ্রেমের সেই মহাসমুদ্রে গিয়ে বিলীন হয়ে যাবে।

অনেকের মতে দান্তে তার নির্বাসনের আগেই “ডিভাইন কমেডির অন্তর্গত প্রথম খণ্ড “ইনফার্নোর' প্রথম সাতটি সর্গ রচনা করেন এবং পরিশেষে, ১৩১৪ থুষস্টাব্ে এই সুবিশাল মহাকাব্যের প্রথম খণ্ডটি প্রকাশিত হয়। ভারপর পরবর্তী ছুটি খণ্ড পার্গেটারিও প্যারাভিসে! রচনাকালে নিঃসীম নিদারুণ দারিপ্র্যের মধ্য দিয়ে দিন যাপন করতে হয় দান্তেক। এখানে সেখানে 'অনির্দিষ্টভাবে কাব্যতত্বের উপর বক্তৃতা দিয়ে ষ৷ কিছু পেতেন তাতেই চালাতে মুত তাকে বাড়িতে স্ত্রী জেন্মা কোনরকমে সন্তানদের লালন পালন করতেন দাস্তের এই নির্বাসন, কাব্যচর্চ কবিস্থলভ গুদাসিম্যকে নিয়তিবাদিনী এক নারীর প্রথাগত সহিষ্ণৃত| দিয়েই নীরবে মেনে নেন জেন্ম অবশ্ত এই ছুঃখের দিনে মাঝে মাঝে কোন কোন সহৃদয় বন্ধুর সাহায্য উদার দাক্ষিণ্য ছঃসহ অরুতাপের মাঝে ছায়াশীতল" এক একটি মরুগ্ভানের সবুজ সজীব আশ্বাসের মতই নেমে আসে দাস্তের জীবনে

এই সমন্ম ভেরোনাম্ম ডিউক কান গ্রাদ দেল্লা স্কেল! তার দরবারে গিয়ে প্বাকার জন্ত অচুয়োধ করেন দাত্তেকে কিন্ত সেই স্কেপিজার প্রাসাদের বির

(৮12)

শীশবর্য আড়ম্বরের মাঝে অস্বস্তি অনুভব করেন দাস্তে এবং পরে ১৩১৭ সালে কাউণ্ট গিদো নভেল্লোর আমন্ত্রণে র্যাভেনাতে গিয়ে বসবাঁস করেন। এই সময় জ্যাকপো গিয়েত্রো নামে দই পুত্র কন্তা বিয়াত্রিসও তর কাছে বাস করতে থাকেন। এই র্যাভেনার মনোরম পরিবেশ পার্গেটারিও প্যারাভিসো খগ্ুদুটি শেষ করেন দ্রান্তে। কোন কোন জীবনীকার বলেন র্যাভেনার নিকটবতাঁ পিনেতার মনোরম প্রাকৃতিক *শোভ! পাইনবন দেখে পার্গেটারিওর শেষাংশে বণিত ভূম্বর্গোগ্ানের দৃশ্য রচনার অন্তপ্রেরণা লাভ করেন।

দাস্তের মৃত্যুর ঘটনাটি বড় ঘঃখজনক এবং এই ঘটনাটির কথা পুঙ্থানুপুঙখ- রূপে বর্ণনা করেন ইতালির রেনেসণ! যুগের বিশ্ববিশ্রুত কথাসাহিত্যিক বোৌকাশিও। তখন ভেনিস বাভেনার সঙ্গে কোন ব্যাপারে রাজনৈতিক বিবাদ চলছিল। কাউন্ট গিদে! নভেল্লো একবার দাস্তেসহ কয়েকজন বিশিষ্ট ব্যক্তিকে রাষ্ট্রদূত হিসাবে “ভনিসে পাঠান আপোষ আলোচনার জন্য | দান্তে গিয়ে নেক চেষ্টা করা সত্বেও আলোচনা ফলপ্রন্থ হলো৷ না তখন ভেনিসের রাষ্ট্র কর্ণধারের! দাস্তে প্রমুখ রাষ্ট্ররতদের রাভেনায় ফিরে যাবার জন্ক জাহাজ ক্তে অস্বীকার করেন। অনন্টোপায় হয়ে তখন দান্তের! সমুদ্রকুল ধরে বরাবর ই'টতে শুরু করেন। সব সমুদ্রোপকূল অঞ্চলে ম্যালেরিয়া রোগের দারুণ প্রাছুর্ভাব ছিল সেকালে পথেই ছরারোগ্য ম্যালেরিয়ার দ্বারা আক্রাপ্ত হন দান্তে। কোনরকমে রোগজীর্ণ অবস্থায় রাভেন!য় ফিরে আসেন,কিন্্ শেষ পর্যন্ত ারোগ্যলাভ করতে পারেননি তখন দাস্তের বয়স মাত্র ছার কিন্ত দুরারোগ্য ব্যাধিতে শরীর একেবারে ভেঙ্গে যায়, এবং সেই রোগের সঙ্গে সংগ্রামরত অবগ্থায় ১৩২১ থুস্টাবন্বের ১৪ই সেপ্টেম্বর তারিখে মাত্র ছাপ্সা্গ বছর চার মাস বয়সে প্রাণত্যাগ করেন দাস্তে। জীবনের যে কোন দুঃখ বিভন্বনাকে অটল ঈশ্বরবিশ্বাসের সঙ্গে হাসিমুখে সহা করার এক অসাধারণ ক্ষমতা ছিল দান্তের। বোকাশিও দান্তের মৃত্যুকালীন মানসিক অবস্থার কথ লিখতে গিয়ে বলেছেন, দাস্তে4:5007751160 1)170961£ ৮161) 300 0 ০০০- €1101010 001 25915600106 01980, ০061776 68 00910 1)6 1980 00122 859879 0519 10168501:6, 136 1:67006150. 0১ 60 0136 67:6800: 1১19 €011-010) 81116, 60৩ 11101) [008৮ 2906 ৪5 2০61৮০010৫0 €116 ৪1005 ০0: 86801106 জ10) আ১000 1) 035 5161) ০01 [20 50 15 0006 501929006

(৬231) £০০৫, 6126 101861:168 ০৫ 01015 01686796166 1600 0610100, 1)6 20৬ 11525 1700950 1000815 11) 1290 1166 6106 15110165 ০0৫ 19101) ০9209 190 10৫ দাস্তের ঈশ্বরবিশ্বাস এমনই অটল ছিল যে জীবনে যখনি তিনি হু:খ পেতেন তখনি ভাবতেন তার কোন না কোন কর্ম নিশ্চয় ঈশ্বরের বিরুদ্ধে গেছে অথবা ঈশ্বরের সন্তোষ উৎপাদন করতে পারেনি, তাই তিনি হুংখকষ্ পাচ্ছেন। তাই বোকাশিও বলেছেন, মৃত্যু যেন অনস্ত ত্বর্গস্খসমৃদ্ধ এক মনা- জীবনের মূর্ত আশীর্বাদরপে দেখ! দেয় দাস্তের জীবনে | মৃত্যুর সঙ্গে সঙ্গে তার শ্রমশ্রান্ত আত্মা সার! জীবনব্যাপী সমন্ত ছুঃথ কষ্ট বিড়দ্গনা ফেলে 'রখে ্বর্গলোকে পরম মঙ্গলময় প্রেমময় বিশ্বষ্টীর কাছে ফিরে যায়। সেখানে ঈশ্বরের সামনে বিয়াত্রিসের বাহুর দ্বারা . আলিঙ্গিত হয় তার আত্মা সেখানে এখন তিনি অনাবিল অত্তহীন পরম স্বর্গভুখ উপভোগ করছেন বস্ততঃ দ্ান্তে হচ্ছেন শুধু ইতালির নয়, সার! বিশ্বসাহিত্যের ক্ষেত্রে একমাত্র কবি যিনি মৃত্যুর মাঝে অমূতের গান গেয়েছেন, হঃখের সীমাহীন রঙ্হীন অন্ধকারে এক অক্ষয় আশা আর ধর্মবিশ্বীসের অনির্বাণ দীপশিখা জালিয়ে আপন লক্ষ্যের পথে এগিয়ে “গছেন সারাজীবন। একটি অবাঞ্ছিত মৃত্যুকে কেত্র করে আবতিত বিচ্ছ্দব্যথাতুর এক আক্মগত প্রেমান্ুভৃতিকে ক্রমশ প্রসারত করে এবং প্রকে একে সমস্ত জৈবিকত। হতে মুক্ত করে প্রথমে: মহাজাগতিক পরে ঈশ্বরচৈতন্তের এক পরিসীমাহীন পরিধি দান করেন। যে রূপকাত্মক কাহিনীকে ভিত্তি করে দান্তে তার মহাকাব্যের বিষয়বস্তু গড়ে তুলেছেন, কতকগুলি প্রতীকধর্মা চবিত্র অসংখ্য রাজনৈতিক বাস্তব . ঘটনার বহুল অবতারণায় সে কাহিনী জটিল হয়ে উঠেছে। তার মহাকাব্যের প্রথম স্ভবকটি হলো, 01085 01015 ৪5 0 1166 জ০1০ 13002230. 0902) [ ৮০106 6০0 1100 1055016 178 2. 08 ০০৫ ৬৬1,০2০ 612 11516 1080 ০5 ৬1)0115 1950 2170 80180, কবি বলেছেন, পথ চলতে চলতে জীবনের মাঝপথে এসে হঠাৎ এক জায়গায় ঘুমিয়ে পড়েন তিনি . সহসা জেগে উঠে দেখেন এক অন্ধকার স্তগতীর অরণ্য- প্রদেশে সমস্ত পথের নিশান! নিঃশেষে হারিয়ে গেছে তার এর পর কৰি পথের সন্ধানে বিহ্বল বিযূ় অবস্থায় এখানে সেখানে বৃথা ঘুরে বেরিয়ে অবশেষে

(৫5) "এক জটিল গিরিবত্মের মুখে এসে পড়েন এবং সঙ্গে সঙ্গে ভয়ঙ্কর হিংস্র জন্ত এসে তাড়া করে তাকে এমন সময় কবিবর ভাঞ্জিলের ছায়ামূত্ি এসে উদ্ধার করে তাকে সেই অবধারিত মৃত্যুর কবল থেকে শুধু তাই নয়, ভাজিল দ্ান্তেকে বলেন তিনি স্বর্গগত বিয়লাত্রিসের আত্মার আদেশে দান্তেকে উদ্ধার করে পথ দেখিয়ে সমগ্র নরকপ্রদেশ পরিশুদ্ধি পর্বতের মধ্য দিয়ে ন্বর্গলোকের

প্রান্তে বিয়াত্রিসের কাছে নিয়ে যাবেন। তারপর সেখান থেকে বিয়াত্রিস আবার তাঁকে নিয়ে যাবে ঈশ্বর সমীপে

এইভাবে দান্তে কবিবর ভাজিলের সঙ্গে তার এঁকাস্তিক সহযোগিতায় নরক- প্রদেশের চবিবিশটি স্তর একে একে অতিক্রম করে অসংখ্য পাপাস্ার নরকযন্ত্রণা- ভোগ স্বচক্ষে দেখেন এবং তাদের মধ্যে অনেক পরিচিত মৃত ব্যক্তির ছায়া- মৃতিধারী আত্মার সাক্ষাৎ পান তাদের সঙ্গে কথাবার্তা বলেন। একটা জিনিস লক্ষ্য করলেন দান্তে, নরকে যেসব পাপাত্ম! ছঃসহ নরকমন্ত্রণা বিভিন্ন ভাবে ভোগ করচ্ছ হা কিন্ত কোন প্রার্থনার মন্ত্র উচ্চারণ করতে পারছে না।

এর পর পরিশুদ্ধি পর্বতে উঠে এসে তার ছুটি ধাপ সাতটি চত্বর অতিক্রম করতে করতে দান্তে দেখলেন যে সব আম্মার আপন আপন পাপ- কর্ষের গুরুত্ব অনুসারে নরক যন্ত্রণীভোগ শেষ হয়ে গেছে একমাত্র তারাই পরিশুদ্ধি পর্বতে এসে নিরন্তর অনুশোচনা প্রার্থনার মধ্য দিয়ে পাঁপস্থালন করছে। এর পর স্বর্গলোকের প্রান্তে এসে বিয়াত্রিসের দেখ! পেতেই ভাজিলের ছায়ামৃতিটি অনুষ্ঠ হয়ে যায়। বিয়াত্রিসের এক উজ্জল আলোকমূতি দান্তেকে ধীরে ধীরে দশটি গ্রহস্তরে বিভক্ত স্বর্গলোকের নয়টি স্তর অতিক্র" করে পথ দেখিয়ে নিয়ে যায়। কিন্ত দশম স্তরে যাবার আগেই সে মূতি দাস্তের অনেক উধ্বে উঠে গিয়ে জগম্মাত! মেরীর সিংচাসনের পদপ্রান্তে এক সিংহাসনে 'অধিগিত হয়।

এই সমগ্র কাহিনীটি রূপকাত্মক কারণ এই কাহিনীর অবলম্বনে একটি বিশেষ ভাববস্তকে ব্যক্ত করেছেন দাস্তে। সাধারণতঃ কোন রূপকাত্মক কাব্য বা নাটকের রূপক কাহিনীর মর্মার্ঘটি বিশ্লেষণ করলেই অন্তনিহিত ভাববস্তটি পরিস্কার হয়ে ওঠে কিন্তু দান্তে তীর “ডিভাইন কমেডিতে” অসংখ্য প্রতীক- ধর্মী (5591১011581 ) চরিত্র ঘটনার উপাদানে আখ্যানগত রূপকটি গড়ে তোলায় সে রূপক জটিল ক্মে উঠেছে অন্বাভাবিকভাবে সাধারণতঃ প্রতীক" প্রিয় কবিরা ছুই শ্রেণীর প্রতীক ব্যবহার করেন। প্রথাগত প্রতীক ( ০010560-

(ড্র)

102081950০1 ) আর ত্বভাবগত প্রতীক (1080181 8510601)। দাস্তে' যদি কল্পিত বস্তু ঘটনাসম্বলিত প্রথাগত প্রতীক ব্যবহার করতেন তাহলে এত জটিল হত না তার রূপকাত্মক আখ্যানবস্তটি কিন্তু তানা করে বাস্তব অস্তিত্ববিশিষ্ট ঘটনা চরিত্রসম্ঘলিত স্বভাবগত প্রভীক গ্রহণ করেছেন দাস্তে তার ডিভাইন কমেডিতে। ফলে যে সব প্রধান প্রধান বাস্তব চরিত্র ঘটনাকে প্রতীক হিসাবে গ্রহণ করে তাদের মাধ্যমে বৃহত্তর এক ভাবসত্যকে পরিব্যক্ত করতে চেয়েছেন দান্তে, সেই সব চরিত্র ঘটনার মর্মার্থ বিশ্লেষণ না করলে সমগ্র কাবোর রসমৃর্তিটির সম্যক পরিচয় লাভ সম্ভব হবে না কোনমতে

কিন্তু কাব্যের অন্তর্গত প্রতীকী বস্তগুলির মর্মার্থ বিশ্লেষণ করার আগে রূপকের আবরণে যে মুল ভাববস্তাটিকে পরিব্যত্, করতে চেয়েছিলেন দাস্তে তা আলোচনা! করা দরকার “ডিভাইন কমেডিবু+ ভাববস্তর মধ্যে কবি দাস্তে একটি নীতিবিজ্ঞানগত একটি ধর্মগত প্রশ্নকে হুচিত করে বিভিন্ন সংলাপ ঘটনার মাধ্যমে তার নিঃসংশয়িত উত্তর দান করেছেন এই ছুটি প্রশ্নের উপাদানেই গড়ে উঠেছে তার ভাববস্তর মূল কাঠামোটি

প্রথম প্রশ্নটি হলো, মানুষের মনে স্বাধীন ইচ্ছা "বলে কোন জিনিস আছে কিনা আর দ্বিতীয় প্রশ্ন হলো» মৃত্যুর পর মানবাত্া সমস্ত পাপ হতে বিযুক্ত হয়ে ন্বর্গলোকের যর্ধোচ্চ স্তরে গিয়ে ঈশ্বর দর্শন করতে পারে কি ন1। প্রথম প্রপ্নটি নীতিবিজ্ঞানগত এবং অধিকতর জটিল। এই প্রশ্নটির সমাধান না কলে মান্গষের কর্মাকর্মের নৈতিকতা বিচার সম্ভব নয়। মানুষের ইচ্ছার, ত্বাধীনতা যদি না থাকে, যদ্দি তার সকল কর্ম চিন্তা ঈশ্বরের ছারা প্রতাক্ষ অথবা পরোক্ষভাবে নিয়ন্ত্রিত হয়ে থাকে তাহলে পাপ পুণ্য কোন কর্মের জন্যই দায়ী করা চলে না মানুষকে ভারতের অন্যতম মন্তাকাব্য মহাঁভারতে মঙ্গাকবি বেদব্যাস এই স্বাধীন ইচ্ছার প্রশ্নটি কুর্ক্ষেত্রের যুদ্ধশেষে অমিত ভূমিলিগ্ণা, প্রতিহিংসা, মাৎসর্ধ প্রভৃতি পাপপ্রবৃতিগুলির মূর্ত প্রতীক দুর্যোধনের একটি উক্তিতে অবতারণা করলেও তার কোন ষীমাংসার প্রয়াস পাননি ।' পরাজিত হতগৌরব ছুর্যোধন নরর্ূগী ভগবান কুষ্ণকে বলেছেন, “হে হৃষিকেশ, আমি ধর্ম অধর্ম কাকে বলে তা সবই জানতাম তবু আমি অধর্ম হতে নিবৃত্ত হয়ে ধর্মে প্রবৃত্ত করতে পারিনি নিজেকে কিন্তু এর জন্ঠ কি আমি দায়ী? কারণ তুমি অন্তর্যামী এবং তুমি আমার হাদয়ে সংস্থিত হয়ে য৷ করিয়েছ আমি তাই করেছি।' এইভাবে শ্বকীক্প পাপকর্ম হতে নিজেকে মুক্ত করার প্রয়াগ।

(2)

পেয়েছে ছুর্যোধন এবং তার উত্তরে কষ্চ কোন সহৃত্বর দিতে সক্ষম হননি

দ্ান্তে তার ডিভাইন কমেডিতে এই প্রপ্রটির অবতারণা করেছেন নরকপ্রদেশের অন্ধকার গহবর থেকে পরিশ্ুদ্ধি রাজ্যের স্থউচ্চ পার্বত্যভূমি পরে স্ব্গস্থিত আলোকোজ্জল উধ্বলোকে যতই উঠে গেছেন, অসংখ্য পাপাত্মা ধর্মাত্মা সাধুপুরুষ দেবদুতদের সর্পে বিভিন্নভাবে যতই ঘনিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন ততই সে প্রশ্ন তীক্ষতায় নিবিড় হয়ে উঠে পীড়িত করেছে তার মনকে

অবশেষে সে প্রশ্নের সহ্ত্তর খুজে পেয়েছেন দান্তে। তিনি বলেছেন, ঈশ্বর পরম ন্ষ্টারূপে জাগতিক মহাজাগতিক সকল বস্ত প্রাণী স্টি করে থাকেন। কিন্তু সকল বস্ত তিনি প্রত্যক্ষভাবে সৃষ্টি করেন না। দেবদূত, গ্রহনক্ষত্র সকল জীবের প্রাণ ইঈশ্বর প্রত্যক্ষভাবে সৃষ্টি করেন। বাকি সব কিছু তিনি অন্তের ঘার| পরোক্ষভাবে সৃষ্টি করেন। ঈশ্বরের দ্বারা প্রত্যক্ষ- ভাবে স্থষ্ট কোন বসন্ত কখনে। কোন পাধিব কার্ধকারণতত্বের (77816517191 ০৪058:-:0১. ) দ্বারা নিয়ন্ত্রিত বা পরিচালিত হয় না। পরিশেষে দান্তে বলেছেন ঈশ্বরের দ্বার! প্রত্যক্ষভাবে স্থষ্ট গ্রহনক্ষত্রের ছার মাষের জীবন কতকাংশে প্রভাবিত নিয়ন্ত্রিত হলেও ঈশ্বর প্রত্যক্ষ অথবা পরোক্ষভাবে মানুষের শ্বাধীন ইচ্ছার উপর হস্তক্ষেপ করেন না। সুতরাং তার জীবনের ধাবতীয় কর্মাকর্স পাপপুণ্যের জন্য মানুষকে নীতিগতভাবে অবশ্যই দায়ী হতে হবে এবং তার ফল সে ভোগ করবে এবিষয়ে দান্তের মূল বক্তব্য হলো এই যে, মানুষ জীবনে যে সব কর্ম তার করণীয় হিসাবে নির্বাচন করে এবং কর্ষে রূপায়িত করার অন্ত যে সব পরিকল্পনা গ্রহণ করে স্বাধীনভাবে অর্থাৎ স্বাধীন ইচ্ছার বশবর্তা হয়েই করে। তার সেই নির্বাচন পরিকল্পন। অনুসারে কর্মপদ্ধতিও সে বেছে নেয় ॥। কিন্তু অনেক সময় দখা ষায় প্রতিকূল গ্রহনক্ষত্রের অস্ুভ প্রভাবের ফলে মানুষের সব পরিকল্পনা কার্যক্রম সার্থক হয়ে ওঠে না। এই প্রভাবের ফলে মানুষের অনেক এ্রচ্ছিক কর্মপ্রবাহ লক্ষ্যে উপনীত হবার আগেই মাঝপথে প্রতিহত ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয় তাই কোন কর্মফলের ধারা কখনে। কোন মান্থষেব্র নৈতিক বিচার সম্ভব নয়

মান্ষের যে কোন এচ্ছিক ক্রিয়ার মর্ষমূলে যে গুড় এষণা (115011006 ) বা মৌল প্রেরণ| (22০৫০ ) গোপনে কাজ করে সেই এফণা বা প্রেরণার সততাই হবে কর্মীর “চুড়াজ্জ নৈতিক বিচারের মাপকাঠি এবং তার দ্বারাই নির্ণাত হবে তার পাপ পুণ্য কান গ্রাদ দেলাকে লিখিত একটি পত্রে দাস্তে

(381) একবার পাপপুণা স্বন্ধে একটি ঘন্তব্য করেন, “৫ অ1)0 191560 1১15 5018 00 51796 013 0106 £0০0৫. 2100 00 0116 2৮1] 8100 52130600, 15170 13 005 1556 200 010 016 0101256, 50100661765 17) 00100995201 £01 01528 00102151010) 50100011765 10 1:81, 10] (10611 0192৪

013210616 10) 51221067101 12552] 70295516) 2:0001:017)6 25 010০ খা1115, 109151825603 1315 61015 00 ৪৮11-0021, 102 0065 175৩2 90

৪৬৫1.” মান্থষের কর্মের গুণাগ্তণ অনুসারে কাব! উপর ঝরে ঈশ্বরের করুণার বুষ্টিধারা, আবার কারো উপর ঝরে পড়ে তার তীত্র রোষজনিত ভয়াবহ অতিবৃষ্টি। তীর হুর্ষের আলে সমানভাবে ঝরে ভালমন্দ সবার উপর | তবে তিনি পাপীর! যাতে আ'র পাপ না করে তার জগ্য তাদের অন্তরে মাঝে মাঝে আপন মহিমার আলোকপাতের দ্বারা তাদের বিবেকবৃদ্ধিকে জাগ্রত করার চেষ্টা করেন।

দাস্তের আলোচ্য তীয় প্রশ্নটি হলে! ধর্মগত | প্রশ্নের উত্তরদান প্রসঙ্গে দাস্তের প্রথম কথ! হলো এই যে, মানুষ তার অহংসর্বস্ব বুদ্ধি বা যুক্তিবোধের দ্বারা কখনে! ঈশ্বরের মহিমাকে প্রত্যক্ষ করতে পারে না৷ অথব৷ নৃত্যুর পর তার আত্মা ঈ্বরসমীপে উপনীত হয়ে তাকে দর্শন করতে পারে না। তাই ত;র কাব্যশেষে স্বর্গলোকের সর্বোচ্চ স্তরে গিয়ে মৌল গতিচক্রের উধ্বে বিরাজমান পূর্ণজ্যোতিস্বরূপ ঈশ্বরকে দর্শন করে যে বিরল আধ্যাত্মিক অভিজ্ঞতা অন করেন সেই অভিজ্ঞতাটি সুন্বরভাবে কয়েকটি ছত্রে ব্যক্ত করেন তিনি,

[০ ০]: 18115. 01510 19109551০16 7 9০৮ 51৮ 00 [00৬০ 25 2. 0০6] 00055 €01321) (1:66 1000 129 4৯]11680ড হা 15916 250. 11 ০16 'আ 1০০10. 05 10৬০, শু5০ 10৬০ 01080 22905550102 ৪010 200 0196 06161 5085.

তার সেই আধ্যাত্মিক অভিজ্ঞত। সম্বন্ধে দাস্তে শুধু এইটুকুই বলতে পারেন সেখানে কল্পন। বা বুদ্ধির কোন ক্রিয়া নেই ; আপন সত্তার কোন ম্বতম্ত্র স্পন্দন সেখানে অন্নুভব করে না৷ কোন আত্ম! সেখানে তিনি শুধু অন্থুভব করলেন, পরম প্রেমময় ষে বিশাল ঈশ্বরচৈতন্ত জ্যোতির্ময় হূর্য গ্রহনক্ষত্রদের নিরব পরিচালিত করছে সেই বিশাল চৈতগ্তসাগরের স্তব্ধ অতল গভীরে তাঁর সকল এবণা আকৃতির বেগবান ধারাগুলি অবলুপ্ত হয়ে গেল নিঃশেষে

অধ্যাপক এডমণ্ড গার্ডনার দান্তের এই আধ্যাত্মিক অনুভূতির স্বরূপ বিশ্লেষণ করে বলেছেন,

(111) চ01 0106 0150615691901706 01 19101) 16 21050 02 150060 028 116 10018] 100611606 10) 01015 1116১, 05 58501001165 0013188- 7181165 2100 26610165 €0 €1)০ 525021266 106211206081 50105621906, "17212 10) 25816961010) 16201065 5001) & 1)2151)6 23210901015 61086 8661 105 15010 60 16591 10610019115, 51102 0 1085 18150618060 010০ 12176 01 1701102901900165. দান্তের মত কোন মানুষ যখন সমস্ত রকমের বুদ্ধিগত চিন্তা জৈবচেতনার উধ্র্বে আধ্যাত্মিক সমুন্ততির উচ্চতম স্তরে উঠে যায় তখন সেখান থেকে ফিরে এসে কোন কথাই সে ম্মরণ করতে পারে না। কারণ সে জগৎ এমনই এক বোধাতীত ভাবরাজ্য যেখানে বৃদ্ধির কোন ক্রিয়৷ নেই মানব মনে বুদ্ধির যে ক্রিয়া পরিলক্ষিত হয় তার ধর্ম হচ্ছে তেদাত্রক সেই ভেদাত্মক বুদ্ধির আলোকে মানুষ যা কিছু দেখে যাকিছুচিস্তা করে তার মধ্যেই দেখ শুধু ভেদ আর পার্থক্য। ছোট বড়, সুন্দর অসুন্দর প্রভৃতি ন|নারূপ ভেদাত্সক অনুচিত্তনের দ্বারা মানুষের বুদ্ধিবৃত্তি সতত বিকৃত সতত খণ্ডিত। তাই এই সজাগ সক্রিয় বুদ্ধিবৃত্তি নিয়ে মানবান্মা' ঈশ্বরসমীপে যেতে পারে না। ঈশ্বরের নিকট পরিপুণ আম্মসমর্পণ আর নিবিড় ধ্যানসাধনার মাধ্যমে ঈশ্বরের সামীপ্য লাভ করে তার মহিম! প্রত্যক্ষ করতে পারা যায় দত্তের মত কেউ এই ধরনের অকুগ্ আত্মসমর্পণ একা গ্রতার দ্বার! যদি ঈশ্ব- সমীপে গিয়ে ঈশ্বরের মহিমা প্রত)ক্ষ করতে পারে তাহলে সে দেখবে সমস্ত ভেদ সেখানে লুপ্ত হয়ে সব একাকার হয়ে গেছে। সেখানে :দ দেখবে তার ব্যক্তিগত প্রেম বলে কিছু নেই; তার সে ব্যক্তিগত প্রেমচেতনার রস আর রূপ ঈশ্বরপ্রেমের মহাকাশে নীল হয়ে মিলিয়ে গেছে, দেখবে এক পরম সত্তার সমুদ্রে অসংখ্য সত্তার স্বাতন্ত্র্য মিলেমিশে একাকার হয়ে গেছে। “ডিভাইন কমেডিতে” বধিত সব চরিত্রগুলিই প্রতীকধর্মী। প্রতিটি চরিত্রহ বাস্তব, অথচ প্রতিটি চরিত্র এক একটি প্রতীকাত্মবক অথে মণ্ডিত। সব- প্রথমে ধর! যেতে পারে দাত্তের কথা এই কাব্যে কবি দান্তে নিজেই নায়ক, তিনি একজন ফ্লোরেন্পীয় কবি, দার্শনিক এবং বিয়াত্রিসের প্রেমিক তিনি 'হচ্ছেন প্রতিটি থুষ্টধর্মাবলশ্বী পাপাত্বার প্রতীক যার পাপের অন্ধকার 'অরণঃ)প্রদেশ হতে তীর্ঘবাত্রা শুরু করে অবশেষে ঈশ্বরের ত্বর্গরাজ্যে গিয়ে একদিন উপনীত হয়

(আড)

ঈনিড কাব্যগ্রস্থরচয্রিতা ভাঞ্জিল এই কাব্যের এক প্রধান চরিত্র ভাঞ্জিল" তার কাব্যে পৃথিবীর সভ্য দেশগুলির এ্কীকরণে 'ও কেন্দ্রীকরণে রোম সাম্রাজ্যের অবদান তার মহান লক্ষ্যের জন্য উচ্ভৃদিত প্রশংসা করেন খৃস্টধর্ম' সম্বন্ধে খুস্টেরে আবির্ভাবের আগেই তিনি যে ভবিষ্যদ্বাণী করেন তা অক্ষরে, অক্ষরে সত্য প্রমাণিত হয়। মধ্যযুগে সার। থুষ্টান জগতে ভাঞ্রিল এক. সাধুপুরুষরূপে পরিগণিত হতেন এবং এক পরম শ্রদ্ধার আসনে অধিষ্ঠিত ছিলেন প্রতীক অর্থে ভাজিল হলেন মাঈষের সর্বোচ্চ জ্ঞানবুদ্ধি, কল্পনা, অগ্থ- ভূতি, বিদ্যা, নীতিশান্ত্র কাব্যকলাবিশারদ এমন এক মাচুষ যে জীবনে মানুষ, এই সব বিষয়ে যা কিছু অর্জন করতে পারে, ত। সে পূর্ণ মাত্রায় লাভ করেছে ।. তথাপি তিনি স্বর্গের সর্বোচ্চ স্তরে গিয়ে ঈশ্বরের সামীপ্যলাভ করতে পারেননি।" কারণ তিনি অকুগ্ আত্মসমর্পণের দ্বার। ঈশ্বরের পরম মহিমাকে প্রত্যক্ষ করতে পারেননি তাই তিনি দান্তেকে পথ দেখিয়ে স্ব্গদ্বারে এনে পৌছে. দিয়ে যান। ত্বর্গলোকে দান্তের সাথী হতে পারেন না তিনি তার অজিত, জ্ঞানবি্যার দ্বারা কোন পাপাত্মার মধ্যে পাপচেতনা৷ আত্মোদৃঘাটনগত, অনুশোচন! জাগিয়ে সে আত্মাকে স্বর্গরাজ্যের পথে তীর্থযাত্রায় প্রবৃত্ত করতে, পারেন। ন্বর্গরাজ্যের পথও দেখিয়ে দিতে পারেন। কিন্তু নিজে ত্ব্গের, সর্বোচ্চ স্তরে যেতে বা কাউকে নিয়ে যেতে পারেন না। যে কোন পাপীকে আত্মিক পুর্ণতালাভের মাধ্যমে জশ্বরের মহিমা করুণালাভে সহায়তা! করাই তীয় কাজ।

দাস্তের প্রণয়িণী বিয়াত্রিস ফ্লোরেন্দের এক অভিজাত পরিবারের কন্ঠ। | তাকে দেখার সঙ্গে সঙ্গে তাকে ভালবেসে ফেলেন দান্তে এবং সব প্রেমিকের মতই তারও মনে হয়েছিল বিয়াত্রিস মানবী নয়। স্বর্গের এক দেবী মর্ত্য- মানবীর রূপ ধারণ করে ঘুরে বেড়াচ্ছে কিভাবে এক দৈব পাখিব দেহের আধারে এক স্বর্গীয় স্থষম! এরশ্বরিক মহিমাকে ধারণ বহন করতে প!র। যায় বিয়াত্রিস হলো! তারই প্রত্যক্ষ প্রমাণ প্রতীক অর্থে বিষ্বাত্রিস হলো সেই চার্চ বা ধর্মপ্রতিষ্ঠানের প্রতীক য৷ এক সুক্ষ সেতুবন্ধনের দ্বারা মানবাত্মাকে ঈশ্বরের সঙ্গে যুক্ত করে দেয়। বিয়াত্রিস স্বর্গলোকে দাস্তের সাথী হয়ে একে একে নয়টি গ্রহত্তর পার হয়ে এমন এক জায়গায় নিয়ে গিয়ে নিজে সরে গেছে শ্রবং তাকে এমন এক আধ্যাত্মিক প্রস্ততি বলিষ্ঠতা দান করেছে যার ফলে দাত্তে ঈশ্বরের সাক্ষাৎ গর্তধারিণী ইশ্বরমাতা মেরী এমন কি স্বয়ং

(তভে)

ঈশ্বর দর্শনের যোগ্য হয়ে ওঠেন) এজন স্বর্গের সর্বোচ্চ স্তরে গিয়ে দাস্তে' দেখলেন বিয়াত্রিস আর তার কাছে নেই। দেখলেন বিয়াত্রিস তাজ কাজ শেষ করে উধের্ব চলে গেছে যেখানে আছেন ঈশ্বরের শাশ্বত বাহিকাস্বরূপিণী জগন্মাতা মেরী আর যত সব ধর্মপ্রবন্ত। সাধুপুরুষদের আত্মাবলী

শুধু চরিত্র নয়, ডিভাইন কমেডিকে তিন খণ্ডে বিভক্ত করে নরক, পরিশুদ্ধি স্বর্গ নামে 'যে তিনটি নাম দিয়েছেন দান্তে সেগুলিরও শব্দগত

সাধারণ অর্থ ছাড়াও একটি করে প্রতীক অর্থ আছে।

দান্তে প্রথমে ষে ইনফার্নে। বা নরক প্রদেশের কথা বলেছেন, সে নরক, হলে! এমন এক স্থান যেখানে মৃত্ার পর পাপাত্রারা এক একটি ছায়াযৃতি ধারণ করে আপন আপন পাপের গুরুত্ব অনুসারে তার শান্তি ভোগ করে থাকে কিন্ত এখানে পাপ আর সে পাপের প্রতিফলজনিত যন্ত্রণায় পাপা- স্বাদের অশরীরী চেতনা এমনভাবে আচ্ছন্ন হয়ে থাকে যে এই সময় তাদের মধ্যে কোন অনুতাপ বা অনুশোচনা জাগে না। নরকে শান্তিভোগপর্ব শেষ হলেই তবে সে পাপাত্মা পরিশুদ্ধির রাজ্যে গিয়ে অনুশোচনা আর প্রার্থনার মধ্যে সম্পূর্ণরূপে সব পাপ হতে বিষুক্ত হতে পারে

দাস্তে কল্পনা করেছেন, এই নরকগ্রদেশ হলে! উত্তর গোলার্ধে অবস্থিত এক বিশাল চুঙ্গির আকারবিশি্ এক অন্ধকার গহ্বর যা! ক্রমশ নিচু হয়ে ভৃকেন্্রের গভীরে নেমে গেছে। কিন্তু প্রতীক অর্থে নরক হলো! পাপীদের মনের এক বিশেষ অবস্থা অনেক মানুষ আছে যারা ঘটনাক্রমে অবস্থান্স বিপাকে কোন. পাপকর্ম করে বসলেও পরক্ষণেই তাঁর! নিজে নিজেই অনুতপ্ত হয়। কিন্তু আবার অনেকে আছে যারা একের পর এক পাপকধ করে যায়। তাদের, পাপের বোঝা যত বাড়তে থাকে তাদের পাপচেতনাও তত তীক্ষ তীব্র ভতে থাকে অবশেষে তাদের সেই তীব্র তীক্ষ পাপচেতনা তাদের সমগ্র অন্ত- রাত্মাকে এমনভাবে আচ্ছন্ন করে তাকে ধীরে ধীরে চাপ দ্বিতে দিতে এক অপরিহার্য অথচ ক্রমাদ্থিত ফন্ত্রণায় তিলে তিলে নিধিক্ত করে তোলে যার ফলে সে কোন অন্নশোচনার কথ! ভাবতে পারে না, ঈশ্বরের কাছে কোন প্রার্থনা জানাতে পারে না। শুধু সমগ্র মনপ্রাণ অন্তরাত্মাব্যাপী যন্ত্রণাসিক্ত এক 'নিরন্ধনিবিড় অন্ধকারের সীমাহীন গভীরে অসহায়ভাবে গুষরে মরতে থাকে এইভাবে পাপাত্মার! মৃত্যুর পর প্রথাগতভাবে তথাকথিত নরকে না গিয়েও"

(ড1)

স্বত্যুর আগে জীবিত অবস্থাতেই নিজের মনের মধ্যেই এক ছুঃসহ নরকযন্ত্রণা ভোগ করতে পারে। দাস্তে যে পার্গেটারিও ব। মাউণ্ট পার্গেটারিও- অর্থাৎ পরিশুদ্ধিপর্বতের কল্পন] বর্ণনা করেছেন তা হলে! দক্ষিণ গোলার্ধে অবস্থিত এক নির্জন দ্বীপের উপর একটি উত্তুজ পর্বত এই পর্বতে আছে ছুটি ধাপ আর সাতটি চত্বর ' নরকপ্রদেশে শাস্তিভোগপর্ব সমাণ্ত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পাপ'ত্মার। নরকপ্রান্তের নদী পার হয়ে উঠে আসে পরিশুদ্ধির পাহাড়ে অন্ুতাপবিদ্ধ পাপাত্মাদের সমবেত প্রার্থনাগানে মুখরিত হয়ে ওঠে এই নির্জন নিস্তব্ধ পরিশুদ্ধি পাহাড় এখানে প্রাথমিক ছুটি ধাপ পার হওয়ার পর পাপাতআ্মারা যতই এক একটি চত্বর অতিক্রম করে উপরে উঠতে থাকে ততই কাম, ক্রোধ, লোভ, মোহ, মাৎসর্য, অহুয়া! বা ঈর্ষা প্রতিহিংসা এই সাতটি প্রধান: পাপের এক একটি হতে তার! মুক্ত হয়।. ্‌ প্রতীক অর্থে এই পরিশুদ্ধি পর্বত হলে! মানবমনের এমনই এক অবস্থা যাতে মান্ষ কোন অন্তায় বা পাপকর্ম করার পর অন্গতপ্ড হয় মনে মনে। 'স্বেচ্ছায় সে অন্ঠায়ের সব শাস্তি মেনে নিয়ে প্রায়শ্চিত্ত করে। অনুতাপীর যে বেদন! তাকে ছুঃসহ পাপচেতন! থেকে বিমুক্ত করে ধ'রে ধীরে সে বেদন! যতই অসহনীয় হোক না কেন, সে বেদনার মাঝে আছে এক নিগুঢ় মহত্ব আর অনাস্বাদিতপূর্ব মাধূর্য। কোন অন্যায়কারী জীবন্দশাতেই অন্গতাপের সে বেদনার মধ্যে সেই মাধুর্যের আশ্বাদ লাভ করে ঈশ্বরের আশীর্বাদে ধন্ঠ হয়ে উঠতে পারে। অবশ্ত নরক ব! পরিশ্ুদ্ধির মুল ভাবকল্পনাগুলি থুস্টায় ধর্মতত্ব হতেই গ্রহণ করেছিলেন দান্তে। বাইবেলে সেন্ট ম্যাথিউ বলেছেন, 700. 51591 450 0286219 0০01096 ০0 (1)61)06 011. 01500. 51591610950 0810. 0196 9৮০1 22009 9101)1175, অর্থাৎ কারে! কোন পাপের শাস্তিভোগ পূর্ণ না হওয়! পর্বন্ত সে মানসিক যন্ত্রণার নরক তে বেরিয়ে এসে পরিশ্তদ্ধচিত্ত হয়ে উঠতে পারবে না। কিন্ত যন্ত্রণার নরক যতক্ষণ ভোগ করে সে মনে ততক্ষণ কোন অন্থতাপ বা অনুশোচন। জাগে না। ৬০০ 172186] তার 18155601021 6160961760৫ 121182015 গ্রন্থে

স্বলেছেন, প0০8৩ 80019 1:206156 :20 01150200006 0135. 15672006100 ০0:

(আডে11) 61561110115, 506 2. 12106190610 27 0156 00116165610 21000 0006

০119 ০0126190620. 11 (1611 00115 7 2. 001161086101 ০০০66 0 (5০ 7768109 0৫ 5910075 0:0010165,

নরক হন্ত্রণাকালে পাঁপীর চেতন! অন্চ্ছ থাকায় যে নিবুদ্ধিতা হতে সব পাপগ্রবৃত্তি পাপকর্মের জন্ম সে নির্বুদ্ধিতা প্রতিফলিত হতে পারে ন! পাপী ব্যক্তির সেই অন্থচ্ছ চেতনায় শাস্তিভোগ শেষ না হলে পাঁপীর চেতন৷ স্বচ্ছ হয় না, তার চিত্ত অন্ুশোচনার মাধ্যমে পরিশুদ্ধ হয় না।

এই অন্থশোচনা পর্যের আবার তিনটি শ্তর আছে। এই তিনটি পর্ব হলো, স্বীকৃতি, সন্তাপ আর সংশোধন | আমরা যদি কোন পাপ করে থাকি তাহলে প্রথমে আমাদের উচিত হবে নিজেদের আত্মার কাছে পরে যার ক্ষতি করেছি তার কাছে অকুগভাবে স্বীকার করা বাইবেলে একে বলে “কনফেশখন তারপর আমাদের কর্তব্য হবে তার জন্য দ্বঃখবোধ ছুঃখ প্রকাশ করে বিনয়াবনত চিত্তে ক্ষমা প্রার্থনা করা একেই ধর্মশান্ত্রে বলা হয় সম্তাপ। কিন্ত কোন পাপাত্মীর পরিশ্ুদ্ধির জন্য স্বীকৃতি আর সজাপই যথেষ্ট নয় যে কোন পাপের মধ্যে কারো কোন না কোন ক্ষতি থাকে যার ক্ষতি আমর! করি তার কাছে দোষ শ্বীকার করে অনুতপ্র চিত্তে ক্ষমা প্রার্থনা! করলেই সে দোষ স্থাপন হয় না। সেক্ষতি পুরণ করে তার পরিতৃপ্তিমাধন করতে হয়। অনুশোচনা ব। পরিশুদ্ধি পর্বের শেষোক্ত স্তর সংশোধনের মধ্যে আবার একটি কথা আছে। মনে রাখতে হবে আমর! যখন যে কোন পাপ করি, সেই পাপকর্ষের দ্বারা আমরা শুধু অপর কারো ক্ষতি করি না, আমরা ঈশ্বরের অর্থাৎ ঈশ্বর প্রদত্ত আমাদের আত্মারও ক্ষতিসাধন করে থাকি মনে র"খতে হবে, সামান্ঠ মানুষ কখনো! সর্বশক্তিমান পরমেশ্বরের কোন ক্ষতিসাধন করতে পারে না এবং তাঁকে কোন কিছু দান করতেও পারে না, কারণ এই বিশ্বের সর কিছু তারই হৃট্টি। সব কিছুই তার নিজস্ব সম্পদ। আমাদের আত্মাও ঈশ্বরের প্রত্যক্ষ দান আমরা কোন পাপকর্ষের দ্র! ঈশ্বরেব প্রত্যক্ষ দান আমাদের সেই আত্মার ক্ষতি সাধন করে ঈশ্বরকে রুষ্ট করে থাকি তাই আবার ঈশ্বর- প্রদত্ত আমাদের সেই আম্মার অঞ্জলিদানেক়্ মাধ্যমে ' ঈশ্বরকে তুষ্ট না করঙ্গে কোন মানবাত্মার মুক্তি সপ্তব নয়। কিন্ত ঈশ্বরপ্রদত্ত আমাদের মে আত্মাকে আমরা আমাদের পাপকর্ধের দ্বারা বিকৃত অপরিশ্ুদ্ধ করে তুলি, সে আত্ম! পুনরায় শুদ্ধ.না হলে আমরা তা৷ ঈশ্বরকে অঞ্জলিম্বরূপ দান করতে পারি না

(এডে111) “এরই কারণেই ক্ষতিপূরণের সঙ্গে সঙ্গে আত্মশোধনের প্রয়োজন এই সংশোধন- তত্ব সম্বন্ধে 00:061)5 81956179ও এই কথাই বলেছেন, 1০ 01015 0107০165 ০৫ 9300. ভা18101) ০21) 1291 10917) 19 0007561525১ 8100. 006 0015 0:6211775 212 21016 00 102156 €০0 171 25 86919 001:561529 10)67)060 21)0. 19906 01696136210 2 71962 61 10956. 0005 10 01085 01510060252 12198181101) 2170 20610036771 26 6102 58106 (131775, দান্তে কল্পিত বণিত প্যারাডিসে! বা! ম্বর্গ মধ্যযুগীয় জ্যোতিবিদ্ভায় ধর্ম- তন্ডে চিন্তিত স্বর্গলোৌকের কথাই ম্মরণ করিষে দেয়। মধ্যযুগে ধারণা করা হত চন্ত্রসহ নয়টি গ্রহলোকের উধেব ম্বর্গলোৌক অবস্থিত। দান্তে তার প্যারাডিসো খণ্ডে দেখিয়েছেন যে কোন আম্মা পরিশুদ্ধির পর স্বর্গেযেতে পারে ন|। ঈশ্বরেব আনীর্বাদধন্ত একমাত্র সাধুপুরুষদের আসম্মারাই স্বর্গে যেতে পারে এজন্য ঘর্গে গিষে দান্তে বিয়াত্রিস, দেবদূত আর সাধুপুকষদের ছাড়া পরিচিত আর কোন ব্যক্তিকে দেখতে পাননি তবে দশটি ধাপ বা স্ব্গস্থখের মধ্যে তাখতম্য , দেখলেও আসলে স্বর্গ এক এবং স্বর্গনুখ অভেদাত্মক। কিন্তু এই আক্ষত্রিক অর্থ ছাডা স্বর্গের এক প্রতীক অর্থ আছে। প্রতীক অর্থে ন্বর্গ হলে মান্থষের এমন এক উন্নত ধরনের চিত্তাবস্থা বা মহান ভাবসমুন্নতি যার সাহায্যে মাতষ অসংখ্য, কামনা! বাসনায় চিরচঞ্চল চিরম্পন্দিত জৈব- চেতনার স্তরগুলি একে একে অতিক্রম করে অতিমানস এক আধ্যাত্মিকতার স্তরে উঠে গিয়ে অবিচ্ছিন্ন অনাবিল এক পরম সুখ উপভোগ করতে পারে মানুষ তার সততা, সৎকর্ম অকুঠ অটল ঈশ্বরপ্রণীতির দ্বারা এই জীবনেই সেই পরণ ্বর্স্থথের পূর্বান্বাদ লাভ করতে পারে। তখন তার সেই আম্মিক প্রশান্তির স্তবতার মাঝে অতৃপ্ত কামনা বাসনার সব চঞ্চলতা হারিয়ে যায় এবং হুক অতীন্জ্রিয় পরম তৃষ্তির রসসাগরে মন তার ডুবে যায। পরিশেষে এই প্যারাডিসো খণ্ডে দান্তে ষে গ্রেমতবের কথা আলোচনা করেছেন সে বিষয়ে কিছু আলোকপাত কর৷ প্রয়োজন পরম প্রেমময় ঈশ্বরের যে প্রেম (1095 00026 1200565 €102 82 2:30 019০ 00061: 50219 ) গ্রহ- -ক্ষত্রদের আলো গতি দান করে, যে প্রেম বিশ্বজগৎকে চালন! করে সেই প্রেমের একটি ভগ্রাংশ মান্ধষের মধ্যে সঞ্চারিত হযে তাঁকে সংসারের বিচিত্র 'বস্তর প্রতি আসক্ত করে ভোলে। মানুষ যখন ছোট বড় যেকোন কাজ করে

(19)

বাযে কোন বস্ত বা বাক্তিকে কামনা করে, তার সেই কর্মপ্রেরণ! কামন'র মুলে থাকে প্রেম। কিন্তু মানুষ যখন ঈশ্বরপ্রেমের মহিমা ঠিকমত উপলব্ধি করতে পারবে তখন সে বুঝবে বাইরের যত কিছু বহুত্ব বৈচিত্র্য সেই অনন্ত একের মধ্যে বিধৃত তখন তার সমস্ত বিষয়াসক্তি প্রেমাসক্তির অশান্ত উত্তাপ ঈশ্বরপ্রেমের এক মহাঁচৈতন্টের মধ্যে লাভ করবে এক শান্ত শীতল 'সমাধি। মধ্যযুগীয় দার্শনিক "6111)910 06 0১৪1017. এর “1106 0161001061702 +0£ 00813” গ্রন্থে দান্তের এই প্রেমতত্বের এক আশ্চর্য সমর্থন পাওয়। যায়। প্রেমের মাধ্যমেই আত্মচেতনীর মধ্যে হয় বিশ্বচেতনার প্রতিফলন তান বলেছেন, 1,০৮০ 1 911 15 50161561515 19016171775 17)01:6১ 2100 17016011175 2659, 01021) 0106 179016 01: 1655 01760 00802 10121520010 0116 12851 06 6106 61277613605 0106 10570181021 ০01015017০2 04 102 0171521950 00010 4১৬$:০ প্রেমের কাজই হচ্ছে বাক্তির আত্মার মধ্যে বিশ্বকে এবং বিশ্বের আত্মার মধ্যে ব্যক্রির আত্মাকে দেখানে। | বিশ্বের মধ্যে যে বহু আছে সে বহু প্রেমের দ্বারাই বিধৃত হয় একের মধ্যে 51117910 আরো বলেছেন এই প্রেমতত্বুটি ন! বুঝলে বিশ্বজগতের গঠনপ্রকতিও কেউ বুঝতে পারবে না। তিনি বলেছেন, শ1)০ 18156015 01 001)0193515255 200 105 01802 11) 0102 ড/ 0110. 1600911)9 11)00180121061)51101 0 205017)০ 1)0 1075 2906 92610 4196 0: 211 006 50950005917) চ/1)101) 1001) 11909 1)17)967 02261) 0১ 5078561050625 05 16850201012 03110025801781016 7 1)0161553 01 105 আ1)01০) 55562], 60600, 2100 ৪. 0002260), ; 8. 5592] 05 365 010121165 ৪. 6001] 05 165 001 200 8 [02100] 05 105 21০155 ৪1] (12552 101) &, 000001555 ০016001 _ বিশ্ব্গগৎ সম্পর্কে মানবচেতনার প্রতিক্রিয়ার ইতিহাসটি মোটেই বোঝ যাবে না ধদি আমর! বিশ্বজগতের মুলে যে সংগতি রয়েছে সেই মূল সংগতির কথাটি না বুঝি বিশ্বজগতের গঠনপ্রক্কতি বিশ্লেষণ করলে তার মধ্যে আমরা দ্েখর্তে পাব প্রধান তিনটি উপাদান-5550০1 অসংখ্য বস্তুর বহুত্ব,:০ঘ:০ বা ীক্যবিধায়ক অনন্ত এক আর ্রু2806000 বা শক্তি «ই তিনটি প্রধান উপাদান কিন্ত

(সহ)

ঈশ্বরের প্রেমচৈতন্টের দ্বারা সংহত স্থুসংবদ্ধ হয়ে মহাজাগতিক শৃংখলাকে অক্ষুগ্ন রেখে চলেছে

পণ্ডিতের! 2৫0060610 ব৷ তথ্যগৃত এবং 1106181য ব৷ সাহিত্যগত এই ছুই শ্রেণীতে বিশ্বের সকল মহাকাব্যকে বিভক্ত করেছেন। দান্তের 'ডিডাইন. কমেডি, নিঃসন্দেহে দ্বিতীয় শ্রেণীভুক্ত দাত্তে তার মহাকাব্যের পটভূমি হিসাবে সমগ্র ইতালি দেশ এবং অতীত বর্তমানের ইতালীয় জাতির ধর্মীয়, রাক্তনৈতিক সাংস্কৃতিক বহু কথা বললেও তার আসল বিষয়বস্তর হলো! অন্য সে বিষয়বস্তু হলে। আত্মগত এক প্রেমান্থভৃতিকে ক্রমশঃ এক উত্তুজ প্রসারতা দান করে অতিমানস এক মহাজাগতিক চেতনার রাজ্যে উন্নীত করা এবং আধ্যাত্মিক এশ্বরিক অন্ভৃভৃতির বিস্ময়কর বিশাঙলগতায় তাকে বিসর্জন দিয়ে এক গৌরবময় মুক্তিদান করা। গুধু পটভূমির বিশালতা জাতীয় জীবনের ঘটনাবলীর উল্লেখ দাস্তের মহাকাব্যের একমাত্র উপাদান নয়। স্ব্গমর্ত্যপাঁতাল- ব্যাপী কবিকল্পনার সীমাহীন মহাকাশতলে আত্মগত প্রেমানুভৃতির এক ক্রম- প্রসারিত পটভূমিকায় বিশালায়তন প্রাণসত্তার এক উদ্দার ব্যাপ্তির মাঝে একটি সমগ্র দেশের ধর্ম,পুরাণ, ইতিহাস সমাজের অসংখ্য ঘটনাকে যেভাবে একত্রিত সংহত করে একটিমাত্র রসশ্ফুরণের পথে পরিচালিত করেছেন দাত্তে তা অন্ত কোন মহাকাব্যে পাওয়া! যায় না অন্ঠান্ট মহাকাব্যের মত দান্তের ডিভাইন কমেডির প্রধান উপজীব্য হলে! শাস্তরস | পরম মঙ্গলময় প্রেমময় যে ঈশ্বরের প্রেম বিশ্বের সব কিছুকে আলো গতি দান করছে, সব কিছুকে পরিচালিত করছে, সেই পরম প্রেমের আন্বাদনের মাঝেই ঘটতে পারে মানুষের সকল চাওয়া-পাওয়ার ছন্দের নিঃশেষিত অবসান ২৫, ২, ৭৭ স্ুধাংশুরগধন ঘোষ.

ইনফার্নো (নরক ) প্রথম সর্গ অন্ধকার বনভূমি | বৃহস্পতিবার রাত্রি গুড ক্রাইডে £ সকাল ছটা কাহিনীসংক্ষেপ

সহসা বুঝতে পারলেন দাস্তে তিনি আসল পথ থেকে বিচ্যুত হয়ে পড়ে- ছেন। বুঝতে পারলেন, এক অন্ধকার জটিপ অরণ্য্মিতে পথ হারিরে ফেলেছেন তিনি সেই সুবিস্তীর্ণ অরণ্যস্থলীমাঝে একটি স্ুদৃশ্ঠ পর্বত দেখে তাঁতে আরোহণ করার অপ্তপ্রায়ে দান্তে এগিয়ে যেতেই সহস। এক গর্জননূল চিতাবাঘ, পঙজে এক ভয়ঙ্কর সিংহ মেয়ে নেকড়ে এসে পথ অবরোধ করল তার। অনন্তোপায় হয়ে দান্তে সেই অরণ্যাভিযুখে ফিরে যাওয়ারই মনস্থ করলেন তিনি এমন সময় ভাক্তিলের ছায়াযূত আবিভূতি হলো তার সামনে ছায়ামৃতিটি তাকে বলল আপাতত; সেই নেকড়ের বাধা এড়িয়ে সে পর্বতে আরোহণ কর! সম্ভব হবে না তার পক্ষে বছদিন পর এক ভয়ঙ্ক শিকারী কুকুর এসে সে নেকড়েকে তাড়া! করে নিয়ে যাবে কিন্তু বর্তমানে স্টধু একটিমাত্র পথই খোল! আছে দান্তের সামনে সে পথ হলে! ভাঞ্জিললকে অন্থসরণ করা ভাগ্িল তাকে নরকের মধ্য দিয়ে ধীরে ধীব্ে নি যাবেন সেই পরিিশুদ্ধির পাহাড়ে পরে, সেখান থেকে আরে! যোগ্যতর এক আত্ম! ( বিাত্রিস ) নিম্বে যাবে স্বর্গবাসী দিব্য আত্মাদের কাছে। ভাঞ্জিলের কাছে নীরবে আত্মসমর্পণ করে তাকে অনুসরণ করে যেতে লাগলেন দান্তে

জীবনের মাঝপথ দিয়ে যেতে যেতে অর্থাৎ পয়ত্রিশ বছর বয়সে নিদ্রা- ভিত্তৃত হয়ে পড়েছিলাম পথে সহস। নিদ্রাভঙ্গ হলে দেখলাম এক গভীব স্ুজটিল অরণ্য প্রদেশে পথ হারিয়ে ফেলেছি আমি হায়, সেকথা বর্ণনা করাও কত কঠিন! সেই ভয়াল অরণ্যের দুশ্রবেশ্ততা কত অমোঘ ! বিদ্যুদ্দামশ্যুরণের মত সেই স্বতির চকিত ,দ্যোতন! শান্ত শীতল রক্কের মধ্যে জাগিয়ে দেয় স্থদুত্র অতীতের, সেই বিগত শঙ্কার এক শিহরণ। অথচ কী আশ্চর্য! ম্ৃত্যু-

প্রতিম সেই অরণ্যের অবাঞ্ছিত সাহচর্ষের মাঝেই অকম্মৎ পেয়ে গেলাম এক

্‌ দাত্তে রচনাসমগ্র

পরম জগতের সন্ধান। অভিশাপের মাঝে আশীর্বাদ। সেই কাহিনীই আজ আমি লিখব।

কেমন করে যে অরণ্যে গিয়ে পড়লাম তা আমি বলতে পারব ন!। কারণ আমি আমার সেই সংকশর্ণ পথ হতে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে আচ্ছন্ হয়ে পড়েছিলাম গভীর নিদ্রায় কিন্তু উঠে যখন গেখলাম একট! থাড়াই পাহাড়ের পিছনে দাড়িয়ে রয়েছি আমি আর এক উপত্যকাভূমিতে আমার পথ রোধ করে দাড়িয়ে আছে পাভাড়ট। তখন এক নিদ|রুণ ভয় আমূল বিদ্ধ করল আমার অন্তরকে

তারপর উপরে মুখ তুলে তাকিয়ে দেখলাম যে স্র্ঘ তার প্রতিটি পদক্ষেপে পথ দেখায় মানুষকে প্রভাতের সেই হৃর্ধ হতে রক্তাশ্বপদৃশ বাল রশ্মিসমূহ বরে পড়ছে পাহাড়ের উপর মেই বিভীষিকামমী ব্বাত্রির সঘন অন্ধকারে পরিবৃত আমার অন্তরের ইদে কাতর আর্তনাদ করতে করতে ঘুমিয়ে পড়েছিল যে ভয়টা, দৃশ্ঠ দেখার সঙ্গে সঙ্গেসে ভয় প্রশমিত হলো! কিঞ্চিৎ। কোন মহানুভব ব্যক্তি বিক্ষুব্ধ সখুদ্রে সাতার কাটতে কাটতে কোনরকমে উপকুল- ভূমিতে উপনীত হওয়ার পর শ্বাসরুদ্ধ অবস্থায় যেমন অতিক্রান্ত সমুদ্রতরঙ্গ গুলির পানে বারবার তাকায় তেমনই আমার স্বর্গাভিমুখী পলায়নপর আত্মা সেই আশ্চর্যভীষণ গিরিবত্মপানে তাকাতে লাগল যেখানে কোন শরীরী মানুষ একবার গেলে আর ফিরে আসে না।

ক্লাস্ত অবসন্ন দেহে কিছুক্ষণ বিশ্রাম করলাম আমি। তারপর উঠে আবার এগিয়ে যেতে লাগলাম সেই নির্জন গিরিবত্সমমাঝে। এমন সময় সহসা সেই পাহাড়টার অদূরে দেখা গেল লঘুপদ ভ্রতগামীসম্পন্ন এক চিতাবাঘ বর্ণরঞ্জিত লোমে আবৃত দেহ নিয়ে বেরিয়ে এল তার অদৃস্থ আবাস হতে লাফ দিয়ে আমার সামনে পায়ের কাছে এসে বসে পড়ল আমার সম্মুখবর্তী পথ এমন ভাবে রোধ করে সে দাড়াল যাতে আর এগোতে না পেরে বার বার পিছন ফিরে তাঁকিয়ে সুযোগ খুঁজতে লাগলাম পালিয়ে যাবার |

প্রভাতকালের শৈশবাবস্থা অতিক্রান্ত হয়নি তখনে। সৌরমগ্ডলের গভীরে সগ্ভ অবলুপ্ড নক্ষত্রদের উজ্জলতাগুলি একে একে আত্মস্তাৎ করে আকাশ- মার্গে উৎগষন করে চলেছিল স্ষীতজ্যোতি ুর্ধ। নবপ্রভাতের এই আলো- ফোজ্দল লিগ্চত। বহুবর্ণচিত্রিত প্রাণোচ্ছল পণুটির দৃষ্ঠ ভবিষ্যতের এক

ডিভাইন কমেডি

অজানিত আশায় আশাঘিত আনন্দিত করে তুলন আমায় আশ্বস্ত হয়ে উঠলাম আমি। কিন্ত পর মুহর্তেই আর একটি ভয়ঙ্কর দৃশ্য অর্থৎ পথে একটি সিংহ দেখে ভয়ে কাপতে লাগলাম আমি। দেখলাম এক ভয়াবহ হিংশ্রতায় মাথা উচু করে আমারই জন্য এগিয়ে আসছে সিংভটি। মনে হচ্ছিল সে ছিল যেন ক্ষুধায় জর্জরিত তাকে দেখে যেন শুধু আমি ভীত হইনি, ভীতিবিহ্বল কম্পনের আঘাতে তরঙ্গায়িত হয়ে উঠছিল চারদিকের নিস্তরঙ্গ বাতাস। তারপর এল একটি কৃশকা য় ক্ষুধিত 'নেকড়ে। বেশ বুঝতে পারলাম এই নেকড়েই প্রাচীন কালের বহু মানুষের তেজত্বিতাকে গ্রাস করে ভীরু ক্রীতদাসে পরিণত করেছে তাদের সবচেয়ে সেই নেকড়েটাকেই ভয়াবহ লাগল আমার চোখে এক গভীর হতাশা আর ভয় স্তব্ধ নিশ্চল করে তুলল আমায় পর্বতারোহণের সব আশা ধীরে ধীরে নিমজ্জিত হয়ে গেল সেই শুঙ্গাতিশায়ী হতাশার গভীরে সধত্রসঞ্চিত অতি প্রিয় ধনরাশিকে গরাবার মুহূর্তে মানুষ বমন এক নিম্ষল আক্রোশে বিচলিত বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে. ঠিক আমিও তেমনি ক্ষুধাচঞ্চল 'নেকড়েটার সামনে বিচলিত হয়ে উঠলাম ভীষণভাবে | তাঁর ভয়ে ধীরে ধীরে পিছিয়ে যেতে লাগলাম আমি। অবশেষে এদনই এক জায়গায় এসে পড়লাম যেখানে কোনপিন প্রবেশ করে না সুর্যের আলো। অন্ধকারে কিছু দেখতে না পেয়ে সেই পথের উপর চিৎ ভয়ে পড়ে গেলাম 'আমি। সহসা সেই অন্ধকারের মাঝেই আশ্চর্মভবে দৃশ্য গোচর হয়ে উঠল ভাষাহীন এক মূর্ত মন্গস্যযৃতি সেই নির্জন অন্ধকারে পথ ভারিয়ে ইতস্ততঃ ছুটতে ছুটতে আমি তাকে কাতরভাবে অন্থরোধ করলাম, “মাহুত ব! প্রেত তুমি যেই হও আমার প্রতি করুণা! করো ।' সেই যৃতিটি তখন বলল, একদিন আমি মানুষ ছিলাম, কিন্ত এখন আর মানুষ নেই। আমার পৈত্রিক নিবাস হচ্ছে লঙ্বাঙডি এবং আমার পিতামাতা দুজনেই ছিলেন মাঞ্চুয়ার নাগরিক জুলিয়াস সীজারের আমলে আম:র জন্ম হয় এবং অগাস্টাসের রাজত্বকালে আমি রোমে বাস করতাম। তখন কুসংস্কারাচ্ছন্ন মানুষ অর্থহীন যত সব উপদেবতাঁকে দেব দেবী বলে পুজো করত আমি ছিলাম একজন কবি এশ্বর্ষগধিনী ইলিয়ামনগরণী বিধবস্ত ভম্মীভূত হলে